আপডেট সময়:
বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০.০৯ পিএম
৩১৯
বার সংবাদটি পড়েছেন
সুদীর্ঘ ১৭ বছর পর জনাব তারেক রহমান সপরিবারে দেশে ফিরেছেন। প্রিয় জন্মভূমিতে আপনাকে স্বাগতম। দেশের কল্যাণে নিবেদিত হোক আপনার এই প্রত্যাবর্তন। মসৃণ হোক আপনার আগামীর পথচলা। Mizanur Rahman Azhari
এই মাটির সন্তানেরা আবার মুক্ত স্বদেশে ফিরে আসতে পারছেন এটা আমাদের জুলাইয়ের অর্জন। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ ব্যতিত এটা সম্ভব হতোনা।ইনকিলাব জিন্দাবাদ ।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ ভূমিতে ফেরার এই অধিকারটি পুনরুদ্ধার হওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়েরই একটি ইতিবাচক প্রতিফলন।
তারেক রহমান এবং তার পরিবার রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারনে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং তাকে দীর্ঘ সময় নির্বাসিত থাকতে হয়েছে। হাজারো শহীদের রক্তদানের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ফলে এমন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে যেখানে তিনি ও তার পরিবার দেশে ফিরে আসতে পেরেছেন।
আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী বাংলাদেশ রাষ্ট্র চাই যেখানে ভবিষ্যতে ভিন্নমতের কারণে কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হবে না।
বিগত দেড় দশকের অবরুদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ ভেঙে আমরা আজ যে মুক্ত বাংলাদেশের পথে হাঁটছি, সেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনের শাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
জনাব তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও সুসংহত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সহাবস্থান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
জনাব তারেক রহমানকে স্বদেশে স্বাগত জানাই। দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তাঁর এই অংশগ্রহণ ফলপ্রসূ হোক। Nahid Islam