১৯ জুলাই ২০২৫ (শনিবার) সোহরাওয়াড়ী উদ্যানে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী’র জাতীয় সমাবেশ বেশ সফল ও বর্ণাঢ্য ছিল:
জামাতে ইসলামীর ৬০ হাজার নেতা কর্মি সেবকের দায়িত্ব পালন করেন।
ঢাকা ছড়িয়ে পরে তাদের জন্স্রত।
⚙️ প্রস্তুতি ও সংগঠন
- সমাবেশের আগে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রেন, বাস ও লঞ্চ ভাড়া করে নেতা–কর্মীরা ঢাকায় পৌঁছে, যার ফলে শাহবাগ, কারওয়ান বাজার ও আশপাশের রাস্তায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।
- সকাল থেকেই কোরআন তিলাওয়াত, হামদ–নাত ও ইসলামি সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
📍 স্থানের গুরুত্ব
- এটি স্বাধীনতার পর জামায়াতের প্রথম বড় র্যালি, যা ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হলো।
👥 জনসমাগম
- সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ১০ লাখ+ সমর্থকের উৎসবময় উপস্থিতি।
- এ সম্পর্কে এপি ও আল-জাজিরার মতে, “Hundreds of thousands…” সমাবেশে অংশ নিয়েছে।

🗣️ বক্তব্য ও আকর্ষণ
- রাস্তায় স্ক্রীনে সরান ও মিছিল দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়।
- মঞ্চে আমির ড. শফিকুর রহমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন, কিন্তু সহায়তায় আবার উঠে বক্তব্য শেষ করেন।
- প্রধান বক্তব্য ছিল সাত দফা প্রস্তাবনা: নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, প্রণীত–জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংসদে জননীয়ের থাকার প্রতিশ্রুতি (টি প্লট–গাড়ি–ট্যাক্সবিহীন সুবিধা বাতিল), দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম ইত্যাদি।
📌 রাজনীতিক প্রেক্ষাপট
- নির্বাচনের সামনে জামায়াত প্রপঞ্চ তুলে ধরে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন পদ্ধতির দাবি জানিয়েছে।
- অন্যান্য দলেও আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপি সরাসরি শনাক্ত করা হয়নি।
- এনসিপি ও অন্যান্য সংগঠন অংশ নেয়, এবং ‘মুজিববাদের মোকাবিলা’ নিয়ে বক্তব্য দেয়।
🚦 পরিস্থিতি ও প্রভাব
- সমাবেশের সময় ঢাকায় মারাত্মক যানজট সৃষ্টি হয়; নিরাপত্তার জন্য ১২ হাজার পুলিশ, র্যাব ও ডিবি মোতায়েন ছিল।
- রাজনৈতিক একটি ঐতিহাসিক রূপ ধারণ করেছে—সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের উপস্থিতি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
✅ সারসংক্ষেপ
এই সমাবেশ ছিল জামায়তের পক্ষে এক রাজনৈতিক মহারণ – তার প্রথম বড় জনজোয়ার, ঐতিহাসিক ভেন্যু বাছাই, স্বাধীনতার রণক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্যাচিফিকেশন, আর সাত দফা ও নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে তারা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এটি অংশগ্রহণে ও সম্প্রসারণে তাদের সংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করেছে, এবং ঢাকার রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটা উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।