1. asmjashim2017@gmail.com : abusala Jashim : abusala Jashim
  2. admin@asiantimes24.com : Jamal :
চুরির অপবাদে মধ্যযুগীয় নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু, এলাকা জুড়ে ক্ষোভ - asiantimes24
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম : -
কৈবর্তখালী গ্রামটি যেন জীবন্ত উৎসবের আঙিনা, সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে কৃষক ডাল কাটতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক মামুনেই অতিষ্ঠ পাথরঘাটার মানুষ! পাথরঘাটায় কোস্টগার্ডের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে লাফিয়ে জেলে নিখোঁজ পাথরঘাটা বিএফডিসির চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ সমুদ্রে মাছ শিকারের সময় জেলেবহরে জলদস্যুর হামলা, ২ জেলে গুলিবিদ্ধ রমজান ঘিরে অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার: চাপে সাধারণ মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্য নিহত, রাষ্টীয় মর্যাদায় দাফন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন খাসির নামে ২৫ কেজি কুকুরের মাংস জব্দ, অভিযুক্ত পলাতক

চুরির অপবাদে মধ্যযুগীয় নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু, এলাকা জুড়ে ক্ষোভ

  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩.৫২ পিএম
  • ২০০ বার সংবাদটি পড়েছেন

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় চুরির অপবাদে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ওমর ফারুক (৩৮) নামের এক ভ্যানচালক। গত বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে সিএনজি স্ট্যান্ডে ভ্যান রেখে প্রস্রাব করতে গেলে তাকে চুরির অপবাদে আটক করা হয়।

নিহত ওমর ফারুক রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার চানপাড়া মহল্লার বাসিন্ধা।

স্থানীয়রা জানান, শতাধিক মানুষের সামনে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা এই বর্বর নির্যাতনের পর তাকে ‘মাদকের নাটক’ সাজিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোক বিরাজ করছে।

আরো জানা গেছে, সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন ফারুকের ওপর হামলা চালান। লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে উলঙ্গ করে নদীতে চুবানো হয় বারবার। হাত ও পায়ে হাতুড়ি দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় লোহার পেরেক। পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় শুকনো মরিচের গুঁড়া। পানি চাইলে আরও নির্যাতন বাড়ানো হয়।

ফারুকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আহত অবস্থাতেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে মারা যান ফারুক।

ফারুকের শরীরজুড়ে ছিল নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন। পরিবার বলছে, এটি পরিকল্পিত হত্যা। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ঘটনার পর অভিযুক্তদের কেউ কেউ মারধরের দায় অস্বীকার করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আইনের শাসন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এই ঘটনা। প্রকাশ্যে নির্যাতন, তারপর ভ্রাম্যমাণ আদালত—সব মিলিয়ে কার দায় কতটা, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে সর্বত্র।

এই নিউজটি শেয়ার করতে পারেন

এই বিভাগের আরো নিউজ পড়ুন
© All rights reserved © 2025, asiantimes24
Theme Customized BY asiantimes